Updated on July 28th, 2021 at 9:04 am(BST)

সজীব ওয়াজেদ জয় তারুণ্যের অহংকার

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) এক নারী শিক্ষার্থীকে মেসেঞ্জারে বুয়েটেরই আরেক শিক্ষার্থী অর্ধনগ্ন ছবি ও অশ্লীল ভিডিও পাঠিয়ে, আপত্তিকর বিভিন্ন ইমোজি ব্যবহার এবং কমেন্টের মাধ্যমে যৌন হয়রানি করেছেন। আর অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে এসব করতে উসকানি দিয়েছেন আরও তিন শিক্ষার্থী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে চার ছেলে শিক্ষার্থীর ছবি এবং তাঁদের মেসেঞ্জারের কথোপকথনের স্ক্রিনশট ঘুরছে। এগুলো ছড়িয়ে দিয়েছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। এতে পক্ষ-বিপক্ষে আলোচনা, সমালোচনাও চলছে।

যৌন হয়রানির শিকার ওই নারী শিক্ষার্থী প্রথমে বিষয়টি নারীদের একটি গ্রুপে শেয়ার করেন। পরে তা অন্য শিক্ষার্থীরাও জানতে পারেন এবং আন্দোলন শুরু হয়।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে লকডাউনে ভার্চ্যুয়ালি চলছে আন্দোলন। ২২ জুলাই এক আলোচনায় চার শিক্ষার্থী বিষয়টিকে নিছক মজা বা ক্ষতিকারক কোনো উদ্দেশ্যে তাঁরা তা করেননি বলে বিভিন্ন যুক্তি দিতে থাকেন। তবে তত দিনে স্ক্রিনশট দেখে ঘটনাটি আসলে কী ছিল, তা বুঝতে কারও আর বাকি ছিল না। তাই ২৩ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা। সাধারণ শিক্ষার্থীরা চার অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বয়কট করারও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয় তারুণ্যের অহংকার। তিনি সমৃদ্ধ আগামীর প্রতিচ্ছবি। তিনি শুধু স্বপ্ন দেখেনই না, বাস্তবায়ন করেন।

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) সকালে সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

এনামুল হক শামীম বলেন, তথ্য প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন পিছিয়ে ছিল। এ খাতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে সজীব ওয়াজেদ জয়ের প্রস্তাবে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে দলীয় ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। সে সময় বিরোধী পক্ষ ডিজিটাল বাংলাদেশ নিয়ে নানা কটাক্ষ, সমালোচনা করলেও আজ তথ্য ও প্রযুক্তিগত সুবিধা মানুষের হাতের মুঠোয়। দ্রুত ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রসারে এগিয়ে থাকা দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। এটা সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী রূপকল্প বাস্তবায়নে আইসিটি উপদেষ্টা হিসেবে পাশে থাকা সজীব ওয়াজেদ জয়ের কারণেই।
‘সজীব ওয়াজেদ জয় তারুণ্যের অহংকার’

পানি সম্পদ উপমন্ত্রী শামীম বলেন, বেকারত্ব ছিল বাংলাদেশের তরুণদের জন্য অভিশাপ। সেই অভিশপ্ত জনশক্তিই এখন বাংলাদেশের সম্পদ। এখন তরুণ প্রজন্ম চাইলে নিজেকে চাকরির বাজারে না নিয়েই ঘরে বসে টাকা উপার্জন করতে পারে। হতে পারে উদ্যোক্তা। এর জন্য প্রয়োজনীয় সকল সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার।

এ সময় নড়িয়া পৌরসভা মেয়র আবুল কালাম আজাদ, আওয়ামী লীগ নেতা জহির শিকদার, নড়িয়া ও সখিপুরে যুবলীগ নেতাদের উপস্থিত ছিলেন নাসির উদ্দিন, উজ্জল মালত, খালেক খালাসী, রাসেল আহমেদ পলাশ প্রমুখ।

Total views 38

মূল প্রকাশকের সংবাদটি পড়তে এই লিংকে ক্লিক করুন Click Here.  উপরের সংবাদ এবং ছবিটি থেকে সংগ্রহীত এবং এই সংবাদটির মূল প্রকাশক কর্তিক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই সংবাদটি কোন প্রকার সংশোধন পরিবর্তন অথবা পরিবর্ধন ছাড়া অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে সংগৃহীত। প্রকাশক কর্তিক যে কোনো আপত্তি webbangladeshgroup@ gmail.com গ্রহণ করা হয়। এই সংবাদে প্রকাশিত সংবাদ, তথ্য বা মতবাদ এর সাথে ওয়েব বাংলাদেশ এর কোন সম্পর্ক নাই এবং কোন প্রকার দায় ভার গ্রহণ করে না।