Updated on April 17th, 2024 at 11:57 am(BST)

শান্ত-নাঈমের কাছে ম্লান মুশফিকের সেঞ্চুরি

ঢাকা প্রিমিয়ার লীগে টানা দশম জয় পেয়েছে আবাহনী লিমিটেড। গতকাল নাঈম শেখ ও নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরিতে ৩৪১ রানের পুঁজি গড়ে আবাহনী। জবাবে টপ অর্ডারের ব্যর্থতায় মুশফিকুর রহীমের সেঞ্চুরির পরও ৫৮ রানে হারে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব। ১১১ রানে অপরাজিত থাকেন এবারের প্রিমিয়ার লীগে প্রথমবারের মতো খেলতে নামা মুশফিকুর রহীম। দশম ম্যাচে এসে প্রাইম ব্যাংকের এটি চতুর্থ হার।
৩৪২ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই দুর্দান্ত ফর্মে থাকা তামিম ইকবালকে হারায় প্রাইম ব্যাংক। আবাহনীর পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১ রানের বেশি করতে পারেননি প্রাইম ব্যাংকের এই ওপেনার। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলটি অফ স্টাম্পের অনেক বাইরে করেছিলেন তাসকিন আহমেদ। সেখানে জায়গায় দাঁড়িয়ে ব্যাট চালিয়েছিলেন তামিম, তার ব্যাটের কানায় বল লেগে চলে যায় স্লিপে। সহজ ক্যাচ তালুবন্দি করেছেন নাঈম শেখ। মাত্র ৮ রান করে ফেরেন তামিমের বদলে এই ম্যাচে নেতৃত্ব পাওয়া জাকির হাসান।

১৯ রানে টপ অর্ডারের দুই ব্যাটারকে হারানোর পর শাহাদাত হোসেন দিপুকে নিয়ে দলের হাল ধরেন পারভেজ হোসেন ইমন। তবে দিপু বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। নবম ওভারে তানজিম সাকিবের বলে বোল্ড হওয়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ১২ বলে ১২ রান। চতুর্থ উইকেটে ইমনের সঙ্গে ৮৩ রানের জুটি গড়েন মুশফিকুর রহীম। দলীয় ১২৬ রানে ৫৬ রান করে ইমন বিদায় নিলে আবারো বিপর্যয়ে পরে প্রাইম ব্যাংক। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন মুশফিকুর রহীম। ইনজুরি থেকে ফিরে প্রিমিয়ার লীগে প্রথমবার মাঠে নেমে দারুন সেঞ্চুরি তুলে নেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। মুশফিক এক প্রান্ত আগলে রেখে খেললেও অপর প্রান্তে তাকে সঙ্গ দেওয়ার মতো যেন কেউ ছিল না।

শেষ দিকে হাসান মাহমুদ চার-ছয়ের ঝড় তুলে দারুণ সঙ্গ দিলেও ততক্ষণে বড্ড দেরি হয়ে গেছে। মুশফিক ১১১ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন। সেঞ্চুরির দেখা পান ৯৬ বলে। ১৪টি চারে মুশফিকের ইনিংসটি সাজানো ছিল। হাসান মাত্র ২৪ বলে ৩৪ রান করেন। নবম উইকেটের জুটিতে মুশফিক-হাসান যোগ করেন ৪৬ রান। তিনটি করে উইকেট নেন তানজিম হাসান সাকিব ও তাসকিন আহমেদ। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এদিন টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে অষ্টম সেঞ্চুরির দেখা পান নাঈম শেখ।

১০৪ বলে ১০৫ রানের ইনিংসটি তিনি সাজান ১০টি চার ও ২টি ছক্কায়। নাঈম ফিরে গেলেও আগ্রাসন চলতে থাকে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর। ৮৫ বলে ১৩ চার ও ৪ ছক্কায় ১১৮ রান করে হাসান মাহমুদের বলে বোল্ড হন শান্ত। ১৫৫তম লিস্ট এ ক্রিকেটে শান্তর ১১তম সেঞ্চুরি। এরপর তাওহীদ হৃদয় তুলে নেন ক্যারিয়ারের ২৪তম হাফসেঞ্চুরি। ৩৫ বলে ২ চার ও ৪ ছক্কায় ৬৫ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। তাতে আবাহনী ৪ উইকেট হারিয়ে পায় ৩৪১ রানের সংগ্রহ। প্রাইম ব্যাংকের হয়ে দুই পেসার হাসান মাহমুদ-রেজাউর রহমান রাজা রান দেন হাত খুলে। সমান ১০ ওভারে দুজনে দেন ৭৬ রান করে। হাসান ২ উইকেট পেলেও রাজার ঝুলিতে জমা হয় ১ উইকেট।

Total views 51

মূল প্রকাশকের সংবাদটি পড়তে এই লিংকে ক্লিক করুন Click Here.  উপরের সংবাদ এবং ছবিটি থেকে সংগ্রহীত এবং এই সংবাদটির মূল প্রকাশক কর্তিক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই সংবাদটি কোন প্রকার সংশোধন পরিবর্তন অথবা পরিবর্ধন ছাড়া অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে সংগৃহীত। প্রকাশক কর্তিক যে কোনো আপত্তি webbangladeshgroup@ gmail.com গ্রহণ করা হয়। এই সংবাদে প্রকাশিত সংবাদ, তথ্য বা মতবাদ এর সাথে ওয়েব বাংলাদেশ এর কোন সম্পর্ক নাই এবং কোন প্রকার দায় ভার গ্রহণ করে না।