Updated on October 18th, 2020 at 8:39 am(BST)

বাংলাদেশ-ভারত ফ্লাইট চালু ২৮ অক্টোবর

পণ্যমূল্যের উত্তাপে নাকাল হচ্ছেন ভোক্তা। ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে পেঁয়াজের পর চাল এরপর আলুর দাম লাগামহীন। এই তিনটি নিত্যপণ্য কিনতে প্রায় দ্বিগুণ বেশি খরচ গুনতে হচ্ছে ভোক্তাকে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও অধিকাংশ সবজির দাম ৮০ টাকার ওপরে। একাধিক সবজির দর ১০০ টাকার ওপরে।

সঙ্গে ডাল, ভোজ্যতেল, ডিমসহ বেশির ভাগ নিত্যপণ্য বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে। ফলে এসব জিনিসপত্র কিনতে ভোক্তারা প্রতিনিয়ত দিশেহারা হয়ে পড়ছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছে নিম্ন ও সীমিত আয়ের মানুষ।

এদিকে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এবং বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) তথ্য অনুসারে- করোনার কারণে বাংলাদেশে নতুন করে এক কোটি মানুষ দরিদ্র হয়েছে। এ সময় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে স্থবিরতার কারণে অধিকাংশ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। আর দেশের এমন পরিস্থিতিতে নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক দামে মানুষ আরও বেশি অসহায় হয়ে পড়ছে।

চলতি মাসের ২৮ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ফ্লাইট চালু হতে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে দুই দেশের যাত্রীদের যাতায়াতে কোভিড-১৯ নেগেটিভ সনদ থাকা বাধ্যতামূলক। বাংলাদেশি যাত্রীদের সরকারনির্ধারিত করোনা শনাক্তকেন্দ্র থেকে এই টেস্ট করাতে হবে। আর ভারত থেকে আসা যাত্রীদের ঢাকায় ভালোভাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হবে।

আজ শুক্রবার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ারভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘বিশেষ ব্যবস্থায় আপাতত তিন মাসের জন্য এয়ার বাবল ব্যবস্থায় দুই দেশের মধ্যে ফ্লাইট চলাচল করবে। বাংলাদেশ থেকে ভারতের কলকাতা, দিল্লি ও চেন্নাইয়ে ফ্লাইট চলাচল করবে। প্রতি সপ্তাহে ২৮টি ফ্লাইট বাংলাদেশ থেকে যাবে। কলকাতা ও দিল্লিতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, চেন্নাই ও কলকাতায় ইউএস বাংলা এবং নভোএয়ার শুধু কলকাতায় ফ্লাইট পরিচালনা করবে।’

অন্যদিকে ভারত থেকেও ২৮টি ফ্লাইট ঢাকায় আসবে। ভারতের এয়ার ইন্ডিয়া, ইনডিগো, স্পাইসজেট, ভিস্তারা ও গোএয়ার— এই পাঁচটি বিমান সংস্থার ফ্লাইট চলাচল করবে।

বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে ফ্লাইট চালু হলে যাত্রীসংখ্যা অনেক বাড়বে। তবে ভারতে করোনা পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতি না হওয়ায় সেখান থেকে আসা যাত্রীদের বিমানবন্দরে ভালোভাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ থেকেও যারা ভারতে যাবেন, তাদের মধ্যে করোনার উপসর্গ থাকলে ফ্লাইটে না নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।’

বেবিচক সূত্রে জানা যায়, ২৮ অক্টোবর থেকে আগামী ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত তিন মাসের জন্য এয়ার বাবল ব্যবস্থায় বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে ফ্লাইট চলাচল করবে। এয়ার বাবল ব্যবস্থায় ফ্লাইটগুলো কেবল বাংলাদেশ ও ভারতের এক গন্তব্য থেকে অন্য গন্তব্যে যাবে। প্রতি ফ্লাইটে ছোট উড়োজাহাজের ক্ষেত্রে শেষের দুটি সারি ফাঁকা রাখতে হবে। ৩৫০ বা এর বেশি আসনের বড় উড়োজাহাজ হলে সর্বোচ্চ ২৬০ জন যাত্রী নেওয়া যাবে। করোনা–পূর্ববর্তী সময়ের ভাড়াই নেওয়া হবে। তাই টিকিটের মূল্য বাড়বে না।

করোনা মহামারি ঠেকাতে গত ১২ মার্চ থেকে বিদেশিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয় ভারত। তবে সম্প্রতি পর্যটন ভিসা ছাড়া নয়টি ক্যাটাগরিতে ভিসা ব্যবস্থা চালু করেছে দেশটি।

Total views 24

মূল প্রকাশকের সংবাদটি পড়তে এই লিংকে ক্লিক করুন Click Here.  উপরের সংবাদ এবং ছবিটি থেকে সংগ্রহীত এবং এই সংবাদটির মূল প্রকাশক কর্তিক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই সংবাদটি কোন প্রকার সংশোধন পরিবর্তন অথবা পরিবর্ধন ছাড়া অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে সংগৃহীত। প্রকাশক কর্তিক যে কোনো আপত্তি webbangladeshgroup@ gmail.com গ্রহণ করা হয়। এই সংবাদে প্রকাশিত সংবাদ, তথ্য বা মতবাদ এর সাথে ওয়েব বাংলাদেশ এর কোন সম্পর্ক নাই এবং কোন প্রকার দায় ভার গ্রহণ করে না।