Updated on October 25th, 2020 at 9:34 am(BST)

আকবরের অবস্থান শনাক্ত; যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সিলেটে পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে রায়হান আহমেদ হত্যার পর এসআই আকবরকে খুঁজছে পুলিশ। তবে এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে এ কর্মকর্তা।

এ বিষয়ে এবার মুখ খুললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বললেন, তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছে। শিগগির তাকে গ্রেপ্তার করা হবে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) টাঙ্গাইলে সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সিলেটের আলোচিত ঘটনার প্রধান আসামি শনাক্ত হয়েছে। খুব শিগগির তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের আইনের আওতায় এনে বিচার করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু নির্দেশনা দিয়েছিলেন জনতার পুলিশ হতে। সেই লক্ষ্যে পুলিশবাহিনী জনগণের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। পুলিশের স্লোগান ‘জনতাই পুলিশ, পুলিশ জনতা’।

এছাড়াও করোনায় পুলিশের কার্যক্রম প্রশংসনীয় হয়েছে। করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তির মরদেহ স্বজনরা রাস্তায় ফেলে গেলেও পুলিশ তা উদ্ধার করে দাফন করেছে।

অন্যদিকে পুলিশের জনবল বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীকে আরো দক্ষ করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনীকে আধুনিকায়নের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে পুলিশ বাহিনীতে দুইটি হেলিকপ্টার যোগ করার প্রক্রিয়া চলমান।

এছাড়া করোনার মধ্যে অন্যান্য হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খেলেও পুলিশ হাসপাতাল রোগীদের সেবা দিয়ে মানুষের বিশ্বস্ততা অর্জন করেছে।

এ সময় টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের এমপি তানভীর হাসান ছোট মনির, টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের এমপি আতাউর রহমান খান, টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের এমপি হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের এমপি ছানোয়ার হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনসারী, টাঙ্গাইল চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি খান আহমেদ শুভ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত ১১ অক্টোবর ভোরে সিলেট নগরীর আখালিয়ার এলাকার বাসিন্দা রায়হান আহমদকে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে এনে নির্যাতন করা হয়। পরে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহত রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নী বাদী হয়ে ১২ অক্টোবর কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

এরপর রায়হান হত্যাকাণ্ডে বন্দর বাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর, হাসান উদ্দিনসহ পাঁচ জনকে সাময়িক বরখাস্ত এবং তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের মূল সন্দেহভাজন ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক আকবর হোসেন ভুঁইয়া এখনো পলাতক।

Total views 25

মূল প্রকাশকের সংবাদটি পড়তে এই লিংকে ক্লিক করুন Click Here.  উপরের সংবাদ এবং ছবিটি থেকে সংগ্রহীত এবং এই সংবাদটির মূল প্রকাশক কর্তিক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই সংবাদটি কোন প্রকার সংশোধন পরিবর্তন অথবা পরিবর্ধন ছাড়া অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে সংগৃহীত। প্রকাশক কর্তিক যে কোনো আপত্তি webbangladeshgroup@ gmail.com গ্রহণ করা হয়। এই সংবাদে প্রকাশিত সংবাদ, তথ্য বা মতবাদ এর সাথে ওয়েব বাংলাদেশ এর কোন সম্পর্ক নাই এবং কোন প্রকার দায় ভার গ্রহণ করে না।